মিয়ানমারের পার্লামেন্ট থেকেই রোহিঙ্গা গণহত্যার ‍নির্দেশ দেয়া হয় সেনাবাহিনী ও রাখাইন গোষ্ঠীকে

৪৬

স্টাফ রিপোর্টার, রোহিঙ্গা টিভি: 

মিয়ানমারের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় আরাকান রাজ্যের রোহিঙ্গাদের নিধনের লক্ষ্যে গণহত্যার ঈঙ্গিত আসে খোদ দেশের পার্লামেন্ট থেকে। ২০১৭ সালের ৯ আগস্ট কাউন্টার টেরোরিজম আইনের অধীনে পার্লামেন্টটে যে প্রস্তাবটি পাশ হয়, তাতে মুসলিম রোহিঙ্গাদের উৎখাতের বার্তা দেয়।

আরাকান ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি) -এর সাংসদ  ইউ খিন মং লেট

‍আরাকান ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি) -এর সাংসদ  ইউ খিন মং লেট এর আনিত প্রস্তাবটি সংসদে গৃহিত হওয়ায় রোহিঙ্গা নিধনের জন্য স্থানীয় বৌদ্ধদের হাতে অস্ত্র তোলে দেয়া হয়। আরাকানে বাড়তি সেনা মোতায়েন করে রোহিঙ্গাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। যেকোন মূহুর্তে নীরিহ রোহিঙ্গাদের উপর হামলা হতে পারে-এমন আশংকায় করছিলেন মানবাধীকারগোষ্ঠীগুলো।

আলি হোসেন (৪৫)

আরাকান রাজ্যের আইন প্রণেতা দাউ মেয়ে বলেন,  রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের জীবনযাত্রার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি স্বরূপ । তার এমন উস্কানীমূলক বক্তব্যে ফুঁসে উঠে আরাকানের মঘ ও রাখাইন সম্প্রদায়। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মংডু, বুথিদং ও রাথিদং- এর মুসলমানদের টার্গেট করে কথিত জঙ্গি বিরোধী অভিযানের নামে আরাকানের মুসলমানদের বিরুদ্ধে অপারেশনের আগাম বার্তা পায় বিশ্ব। কিন্তু তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থতার পরিচয় দেয়।

রাথিদং এর মতো বুথিদং ও মংডুর রোহিঙ্গাদেরকেও অবরুদ্ধ করে রাখে। রোহিঙ্গারা উম্মুক্ত কারাগারে জীবনের নাশের আশংকায় সময়গুণে। মংডুর বলিবাজারে আলি হোসেন (৪৫) নামের এক রোহিঙ্গাকে দাড়ি কেটে দেয়ার মাধ্যমে নৃশংসতা শুরু করে সৈন্যরা।

(চলবে…)

 

 আরো পড়ুন : আগস্টের শুরু থেকে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর লক্ষ্যে বাড়তি সেনা মোতায়ন

 

Comments are closed.